বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

করোনা সর্বশেষঃ
*** গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩ জন মারা গেছেন। এনিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭২৪ জন। করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪৩৯ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৪ জন।***  
সর্বশেষ সংবাদঃ
রংপুরে অমতে বিয়ে দেওয়ায় কীটনাশক পানে নববধূর আত্মহত্যা বরিশালগামী লঞ্চে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার নারীর মিলেছে পরিচয় আশুলিয়ায় প্রেমিকার হাতে প্রেমিক খুন ৪০ হাজার টন পেঁয়াজ আসছে ৬ দেশ থেকে! বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় ক্ষুব্ধ ভারতের পেঁয়াজ চাষীরা নৌ প্রতিমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত মোংলায় মটর সাইকেল চোর আটক সাভারে দুটি অবধৈ ব্যাটারি কারখানার বন্ধ, ৭০ হাজার টাকা জরমিানা আদায় আশুলিয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে বেঁধে মারধরের ঘটনায় শিক্ষক আটক, কঠোর শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর সীমান্তে সৈন্য বাড়িয়েছে মিয়ানমার, অসন্তুষ্ট বাংলাদেশ পাবনায় কিস্তি আদায়ে চাপ দেয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা! রোহিঙ্গা নেতার পুত্রকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর জন্য দোয়া করছেন কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা!!! অবৈধ সাইনবোর্ড-বিলবোর্ড উচ্ছেদ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে দিল্লিকে অনুরোধঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের শরণখোলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

৪০ হাজার টন পেঁয়াজ আসছে ৬ দেশ থেকে!

সেপ্টেম্বর এলেই অস্তিরতা দেখা দেয় দেশের পেঁয়াজের বাজারে। গত বছরও প্রায় একই সময়ে ভারত রপ্তানি বন্ধ করার মাসখানেকের মাথায় দাম বেড়ে ৩০০ টাকা কেজিতে গিয়ে ঠেকে। এ বছরও সেই সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে এসে গত সোমবার নিত্যপণ্যটির রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। রাতারাতি পেঁয়াজের ঝাঁজে অস্থির হয়ে পড়ে বাজার। একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে হয় দ্বিগুণ।

সোমবার খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বুধবার তা কিনতে হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এ ছাড়া ৬০ টাকার আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে, ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার আগেই বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন আমদানিকারকরা। গত ১৩ দিনে ছয়টি দেশ থেকে ৪০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে ‘প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন’ তথা ‘উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র’। আইপি ইস্যু হয়েছে ১০১টি।

চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক, নেদারল্যান্ড এই ছয়টি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমাদানির জন্য এলসি খোলেন আমদানিকারকরা। পাইপলাইনে থাকা এসব চালান আগামী সপ্তাহ থেকে বাজারে ঢুকতে শুরু করবে বলে দাবি আমদানিকারকদের।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে আমদানি চাহিদার ৯০ শতাংশের বেশি পেঁয়াজ আসে ভারত থেকে। ফলে প্রতিবেশী দেশটি রপ্তানি বন্ধ করায় বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়বেই। কিন্তু ব্যবসায়ীরা যেভাবে অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন সেটি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। গত বছরের মতো পরিস্থিতি যেন এবার তৈরি না হয়, তার জন্য যা যা করা দরকার সরকারকে এখনই করা উচিত।

‘প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন’ এর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর শাখার তথ্যমতে, ভারত রপ্তানি বন্ধ করে আগেই অর্থাৎ গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। গেল ১৩ দিনে প্রায় ৩৯ হাজার ৯১৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে ২৫টি প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার একদিনেই প্রায় ৩ হাজার ৮১২ হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সংস্থাটি।

সরকারি হিসাবে, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে ৭ থেকে ৮ লাখ টন ঘাটতি পোষানো হয় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে। উদ্ভিদজাত যেকোন পণ্য আমদানির আগে অনুমতি নিতে হয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন’ থেকে। দেশজুড়ে যার রয়েছে ৩০টি শাখা। পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সংগঠনের তথ্য মতে, গেল কয়েকদিনে চট্টগ্রামের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন ব্যবসায়ী পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছেন। অন্যদেরও উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৫ লাখ মেট্রিক টন। এ বছর দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের পরিমাণ ২৫ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন। যেহেতু পেঁয়াজ পচনশীল পণ্য, তাই প্রতিবছরই উৎপাদিত পেঁয়াজের ৩০ শতাংশ পচে গিয়ে ভালো থাকে ১৯ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন। এবারও তাই হয়েছে। এখানেই মূলত ঘাটতি তৈরি হয়। আর এই ঘাটতির পরিমাণ ৫ থেকে ৭ লাখ টন।

চাহিদার বিপরীতে এই ৭ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি মেটাতে আমদানির ওপরে নির্ভর করতে হয়। প্রতিবছর আমদানিও হয় ৮ থেকে১০ লাখ টন, যা চাহিদা বা প্রয়োজের অতিরিক্ত। আমদানিনির্ভর এই ৭ লাখ টন পেঁয়াজ দেশে উৎপাদিত ১৯ লাখ টন পেঁয়াজকে প্রভাবিত করে। আমদানিতে সামান্য কোনো ত্রুটি দেখা দিলেই ব্যসায়ীরা সুযোগ নিয়ে থাকে। আর তখনই অস্থির হয়ে ওঠে দেশের পেঁয়াজের বাজার।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
19202122232425
2627282930  
       
15161718192021
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com