সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২০, ০৩:২৯ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩০ জন। এই সময়ে নতুন করে ১,৩৫৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একদিনে মোট ৪,২৪৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্তের এই সংখ্যা পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ৩১.৯১%। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩,১৮৪ জন মারা গেছেন। আর মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজার ১০২ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ! আমেরিকায় পিয়াজ খেয়ে অসুস্থ শত শত মানুষ বাগেরহাটে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই বোন আটক দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩০। নতুন শনাক্ত ১৩৫৬ জন নতুন নির্দেশনা! জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে যেতে মানা ছুটি শেষে নগরে ফিরছে মানুষ, পথে পথে দুর্ভোগ চরম নৈরাজ্যের মুখে চামড়া বাণিজ্য! ঈদের ছুটি শেষে অফিস-আদালত খুলছে আজ ধামরাইয়ে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ৩ স্ত্রীর সা‌থে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নদীতে লাফ দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা করোনায় আক্রান্ত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ধস চামড়ার বাজারে মন্ত্রিসভায় রদবদলের জোর গুঞ্জন বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নানা সংকটের মাঝেও থেমে নেই সেবাদান পাপিয়া ও খালেদসহ আলোচিত কারাবন্দিদের যেভাবে কাটলো ঈদ… বাগেরহাটে অজ্ঞাত যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

১১ খাতে বিদেশফেরত কর্মহীনদের ৪% সুদে ঋণ দিচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ করোনা মহামারীর কারণে বিদেশফেরত কর্মীদের আর্থিক অবস্থার কথা চিন্তা করে সরকার বিদেশফেরত এসব কর্মহীন ব্যক্তিকে ব্যবসা করার জন্য ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাত্র চার শতাংশ সুদে বিদেশফেরত কর্মহীন ব্যক্তিদের এই ঋণ দিচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব জাবিন জানান, ‘যারা বিদেশে কর্ম হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন, তাদের ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ঋণ দেয়া হবে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য। ঋণের টাকা দিয়ে তারা মুরগির খামার, গরুর খামার করতে পারবে।’ গত ১৫ জুলাই থেকে এই ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে জানা যায়, করোনায় চাকরি হারিয়ে বিদেশফেরত যে কেউ এখনই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের যেকোনও শাখায় গিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করলে তাকে ঋণ দেয়া হবে। ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব নিয়মকানুন মানতে হয়, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদেরও সেসব নিয়ম মানতে হবে।

এ বিষয়ে মাহতাব বলেন, ‘বিদেশে ক্ষতিগ্রস্তরা দেশে এসে যদি বৈধভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলেন তাহলে তাদের ঋণ দেয়া হবে চার শতাংশ সুদে। এছাড়া, কেউ একজন বিদেশে কর্মরত আছেন—এমন প্রবাসীর পরিবারের কোনও সদস্য ইচ্ছে করলে ব্যবসার জন্য ঋণ নিতে পারবেন।’

নীতিমালা অনুযায়ী, এক ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে ব্যাংক। সরল সুদের এই ঋণের মেয়াদ হবে খাত অনুযায়ী এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে।

১৮ বছর বয়সী আবেদনকারীকে ব্যাংকের শাখার আওতাধীন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে।

আবেদনকারীর পাসপোর্টের (পাসপোর্টের বহির্গমন ও আগমনী সিলযুক্ত পাতাসহ) সত্যায়িত ফটোকপির সঙ্গে বিএমইটি’র স্মার্ট কার্ড বা চাকরিরত দেশের আইডি কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি বা বৈধ পথে বিদেশ গমনের প্রমাণপত্র বা বিদেশে চাকরির চুক্তিপত্র বা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

একইসঙ্গে জমা দিতে হবে ‘ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী কর্মী’ এই মর্মে সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের প্রত্যয়নপত্র। ঋণ আবেদনকারীকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ‘ঋণ খেলাপি নন বলে’ হলফনামা দাখিল করতে হবে। তবে অন্য কোনও সংস্থা, ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ খেলাপি ব্যক্তি এই ঋণ পাবেন না। উন্মাদ, দেউলিয়া, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামিও এই ঋণের জন্য বিবেচিত হবেন না।

সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ‘সহজামানত’ রাখতে হবে না। তবে এর ঊর্ধ্বে হলে দেড়গুণ সমপরিমাণ সহজামানত জমা দিতে হবে। আবেদনকারীর বৈধ ব্যবসা বা প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে শুরু করার পর আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীর জামানতের জন্য গ্যারান্টিকৃত সম্পত্তি নিজ নামে বা পিতার নামে থাকতে হবে।

ঋণ পরিশোধে সক্ষম ন্যূনতম একজনকে গ্যারান্টার হিসেবে রাখার শর্ত দিয়ে নীতিমালায় বলা হয়, এক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা, মাতা, স্বামী বা স্ত্রী, ভাই, বোন বা নিকটতম আত্মীয়-স্বজনের বাইরে আর্থিকভাবে সচ্ছল ‘সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিকেও’ গ্যারান্টার হিসেবে রাখা হবে।

ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রগুলো:

১. কৃষি ঋণ প্রকল্প।

২. মাঝারি ধরনের কৃষিনির্ভর শিল্প ঋণ প্রকল্প।

৩. মুরগির খামার প্রকল্প।

৪. মৎস্য চাষ প্রকল্প।

৫. বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প।

৬. সৌর জ্বালানি খাত প্রকল্প।

৭. তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর উদ্যোক্তা ঋণ প্রকল্প।

৮. একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প।

৯. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রকল্প।

১০. গরু মোটা-তাজাকরণ প্রকল্প।

১১. দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামার প্রকল্প।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com