সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২০, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩০ জন। এই সময়ে নতুন করে ১,৩৫৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একদিনে মোট ৪,২৪৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্তের এই সংখ্যা পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ৩১.৯১%। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩,১৮৪ জন মারা গেছেন। আর মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজার ১০২ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ! আমেরিকায় পিয়াজ খেয়ে অসুস্থ শত শত মানুষ বাগেরহাটে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই বোন আটক দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩০। নতুন শনাক্ত ১৩৫৬ জন নতুন নির্দেশনা! জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে যেতে মানা ছুটি শেষে নগরে ফিরছে মানুষ, পথে পথে দুর্ভোগ চরম নৈরাজ্যের মুখে চামড়া বাণিজ্য! ঈদের ছুটি শেষে অফিস-আদালত খুলছে আজ ধামরাইয়ে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ৩ স্ত্রীর সা‌থে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নদীতে লাফ দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা করোনায় আক্রান্ত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ধস চামড়ার বাজারে মন্ত্রিসভায় রদবদলের জোর গুঞ্জন বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নানা সংকটের মাঝেও থেমে নেই সেবাদান পাপিয়া ও খালেদসহ আলোচিত কারাবন্দিদের যেভাবে কাটলো ঈদ… বাগেরহাটে অজ্ঞাত যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

স্বাস্থ্যখাতে বাইরের প্রভাব ও হস্তক্ষেপ অনেক বেশিঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্যখাতে বাইরের প্রভাব ও হস্তক্ষেপ বেশি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যখাতে বাইরের ইন্টারফেয়ারেন্স (হস্তক্ষেপ), বাইরের ইনফ্লুয়েন্সটা (প্রভাব) অনেক বেশি। এটা কমাতে হবে। এটা কমানো হলে আমরা আরও ভালোভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব।

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে অধীন দপ্তর ও সংস্থার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) শেষে বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন। এসময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় সংশ্লিষ্ট আট বিভাগের প্রধানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে আমরা অন্যায় দেখছি, সেখানে আমরা ছাড় দিচ্ছি না। এটা আপনারাও দেখছেন। দুটি প্রতিষ্ঠান অন্যায় করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। যেখানে এটা দেখা দেবে, সেখানেই আইনের আওতায় আনা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের নজরে এসেছিল। আমরা সেখানেও পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বলেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে যে অন্যায় দেখা যাবে, আমরা চেষ্টা করব। এটা একবারে ফেরানো যায় না, গোটা সমাজের দায়িত্ব আছে। সমস্যা এক জায়গায় না, সমস্যা সব জায়গায় রয়েছে। সব জায়গায় শুদ্ধ হওয়া দরকার।

দেশের স্বাস্থ্যখাতের অধিক সমালোচনার কারণে ভিন্ন কোনো মহল সুবিধা নিতে পারে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত এখন আর সেই ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। সারাক্ষণ এই খাতকে বেশি সমালোচিত করলে মানুষ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আস্থা হারাবে এবং চিকিৎসার জন্য সামান্য কিছু হলেই বিদেশমুখী হবে। এতে অন্যান্য দেশের স্বাস্থ্যখাত লাভবান হবে। আর আমাদের স্বাস্থ্যখাত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অথচ আমাদের দেশে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান।

জাহিদ মালেক বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি এখন অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতাল, ক্লিনিকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যখাতে কোনো অনিয়ম হয় কি-না, তার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সেবা মনিটরিং-এর জন্য নতুন কমিটি করা হয়েছে। কাজেই এখন যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশ করোনা সামলাতে হিমশিম খেয়েছে। আমেরিকাসহ অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর অবস্থা আমরা জানি। আমাদের দেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং আমরা অপেক্ষাকৃত কম স্বাস্থ্য সচেতন। এরপরও করোনায় আমাদের মৃত্যুহার বিশ্বের সবচেয়ে কম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পার্শ্ববর্তী ভারত থেকেও আমরা অনেক এগিয়ে রয়েছি। এই ভাইরাস কেবল আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, এটি বিশ্বের সব দেশেরই ক্ষতি করেছে। কাজেই শুধু সমালোচনা করলেই সব সমাধান হবে না। সমালোচনার পাশাপাশি আমাদের অর্জনগুলোও তুলে ধরতে হবে। তাহলে দেশের মানুষ চিকিৎসা নিতে বিদেশে গিয়ে অযথা তাদের অর্থ-সম্পদ বেশি নষ্ট করবে না। আর কোথাও কোনো অনিয়ম হলে আমরা অতি দ্রুত সেটির ব্যবস্থা নিতে কোনো রকম পিছুপা হব না।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনার পাশাপাশি ভালো অর্জনগুলোও প্রচারের অনুরোধ জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় করুন অবস্থায় ছিল। দেশে হাতেগোনা কিছু হাসপাতাল ছিল। সেই অবস্থা থেকে বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলায় হাসপাতাল করা হয়েছে। ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে। এছাড়া মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট করা হয়েছে। নিরাপদ মাতৃত্ব, শহর-গ্রাম সর্বত্র টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান এখন উন্নত বলেই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের মর্যাদাশীল পুরস্কার ভ্যাকসিন হিরো, সাউথ সাউথ, এমডিজি গোল অর্জনসহ বহু সংখ্যক সম্মান বয়ে এনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। বর্তমানে দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আট বিভাগে আটটি ক্যানসার হাসপাতাল করা হচ্ছে। ১০ হাজার চিকিৎসক, ১৫ হাজার নার্সসহ পর্যাপ্ত জনবল প্রস্তুত করা হচ্ছে।

চুক্তি সম্পাদন করা বিভাগগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার, নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, নিমিউ’র টেকনিক্যাল ম্যানেজার, ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ওয়ার্কশপ ও অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com