বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২০, ০২:০৭ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, এ নিয়ে ভাইরাসটি কেড়ে নিয়েছে ১৮৪৭ জনের প্রাণ। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৩৬৮২ জন।  দেশে করোনা আক্রান্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩ জনে। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৭,৭৮০ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
টেকনাফে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক উপার্জন, বাসস্থান সবই কেড়ে নিচ্ছে করোনাভাইরাস হোলি আর্টিজান রেস্তোরায় জঙ্গী হামলার চার বছর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহর শারীরিক অবস্থার আবারো অবনতি ৪ জুলাই থেকে লকাডাউন হচ্ছে ঢাকা দক্ষিনের ওয়ারী বাংলাদেশী এমপি পাপুল সংশ্লিষ্টতায় কুয়েতি মেজর জেনারেল বরখাস্ত এবার ভারতীয় চ্যানেল ও ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করলো চীন খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের কর্মসূচি স্থগিত আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে’ই চলবে অফিস ও গণপরিবহন শতবর্ষে পা দিল প্রিয় বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দুর্যোগ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ খুলনায় পাচারের সময় কাবিখার দুই ট্রাক গম জব্দ বিদায় মুহূর্তেও দুই ভিক্ষুককে দোকান করে দিয়ে গেলেন ইউএনও! বুড়িগঙ্গায় ডুবে থাকা লঞ্চটির পাশে ভেসে উঠল আরেকটি লাশ, মৃত বেড়ে ৩৪ করোনার সংক্রমণ এড়াতে এলো ফিল্টারিং স্বচ্ছ মাস্ক

মন্ত্রীসভায় পুর্বের সেই হেভীওয়েট’রাই কি আবার ফিরতেছেন?

বিশেষ প্রতিনিধিঃ এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে করোনা পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্ব থেকেই সহসা যাচ্ছে না। আমরা কেউই বলতে পারছি না করোনা সঙ্কট কতদিন থাকবে। আর এই সঙ্কট যখন দীর্ঘমেয়াদে থাকবে তখন এটা শুধু জনস্বাস্থ্যের সঙ্কট থাকবে না। এটা পরিণত হবে আর্থসামাজিক সঙ্কটে এবং সবথেকে বড় কথা হচ্ছে এটা অর্থনৈতিক সঙ্কট হিসেবে আমাদের সামনে আসবে। অর্থনীতি বিপর্যস্ত হবে, অনেক দেশে দারিদ্রতা বাড়বে, বেকারত্ব বাড়বে, অভাব বাড়বে, এমনকি খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন। এই বাস্তবতায় সরকার পরিচালনায় দক্ষতার কথা বিভিন্নভাবে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে দূরদৃষ্টি নেতৃত্ব এবং তাঁর যে আকাঙ্ক্ষা সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় আনার ব্যাপারটি খোদ মন্ত্রিসভায় বিভিন্নভাবে আলোচনা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নেতারাও মনে করছেন যে, ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বরের পর ৭ই জানুয়ারি যে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছিল, সেই মন্ত্রিসভা ঠিকই ছিল। শেখ হাসিনা নতুনদেরকে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন যেন নতুনরা যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। কিন্তু এই নতুনদের মধ্যে কেউ কেউ যোগ্যতার পরিচয় দিলেও অনেকেই যোগ্যতার পরিচয় দেননি। তারপরেও প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতা এবং উদারতার কারণে তাঁরা মন্ত্রিসভায় আছেন এবং প্রধানমন্ত্রী একাই সবকিছু সামলে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু করোনা সঙ্কটের সময় দেখা গেল আরেক ধরণের সমস্যা। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং কাজ করতে বলছেন সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং সেই মোতাবেক কাজ করার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে অনেক মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রীদের অনীহা এবং অনাগ্রহ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষাও তাঁরা বুঝছেন না এবং প্রধানমন্ত্রী যে পরিমাণ পরিশ্রম করছেন সেই পরিশ্রমের একশ ভাগের এক ভাগ-ও করতে তাঁদের অনীহা। এই বাস্তবতায় খোদ আওয়ামী লীগের মধ্যেই কথা এসেছে যে, এখন একটি সংকটকালীন সময়, যুদ্ধাবস্থা। যুদ্ধাবস্থায় দরকার হলো সবচেয়ে ভালো সৈনিকদের সামনে নিয়ে আসা এবং প্রধানমন্ত্রীর এই লড়াই জিততে গেলে তাঁর সবথেকে বিশ্বস্ত এবং যারা পারফর্ম করতে পারে এরকম ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসার কথা বিভিন্ন মহল থেকেই উচ্চারিত হচ্ছে।

সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় একটি রদবদল হতে যাচ্ছে এবং বাজেট পাশের পরপরই এই রদবদল হবে। তবে মন্ত্রিসভার এই রদবদলে কে থাকবেন, কে যাবেন এই ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত নন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন যে, মন্ত্রিসভার রদবদল আদৌ হবে কিনা বা হলে কিভাবে হবে তা সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি বলেন যে, সংবিধানে মন্ত্রিসভায় সদস্য নেওয়া বা কাউকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর, অন্য কারো এই ক্ষমতা নেই। আর প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতা কখন-কিভাবে প্রয়োগ করবেন সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত অভিপ্রায়।

তবে আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কিছু মন্ত্রণালয়ের যে হতশ্রী অবস্থা এবং দায়িত্ব পালনে অযোগ্যতা, তাতে প্রধানমন্ত্রীও অসন্তুষ্ট হয়েছেন। কাজেই মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদলে এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তিনি রদবদল করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই রদবদলের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে বলে একাধিক সূত্র বলছে। একটি হলো, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের একজন করে প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। যাতে মন্ত্রণালয়গুলো এক ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল না হয়। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে, এই সংকটকালীন সময় এবং যুদ্ধাবস্থা মোকাবেলার জন্য যারা দলে পরীক্ষিত এবং সিনিয়র নেতা অর্থাৎ রাজনীতির ভাষায় যাদেরকে বলে ‘হেভিওয়েট’ সেই হেভিওয়েটদেরকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা, বিশেষ করে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরীর মতো প্রবীন, বিজ্ঞদেরকে মন্ত্রিসভায় আনার বিষয়টি আলোচনা হচ্ছে। তৃতীয় যে বিষয়টি আলোচনা হচ্ছে তা হলো, যেহেতু এখন একটি সংকটকাল। তাই ১৪ দল থেকেও কাউকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে কিনা বা এনে সরকার সম্বিলিতভাবে সঙ্কট মোকাবেলা করতে পারে কিনা। তবে যা কিছুই ভাবা হচ্ছে তা সবই অনুমাননির্ভর এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মহলের আকাঙ্ক্ষা। বাস্তবে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com