শনিবার, ০৪ Jul ২০২০, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৯ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেলেন ১৯৯৭ জন। নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩২৮৮ জন। এপর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৯ জন। আজ সুস্থ হয়েছে ২৬৭৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৭২১ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রলীগ নেতার সাথে বাকবিতণ্ডা, ঝোপ থেকে লাশ উদ্ধার! দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন ২৯ জন, নতুন আক্রান্ত ৩২৮৮ জন গাজীপুরে শিশু নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর আশুলিয়ায় লাশ উদ্ধার করোনায় মারা গেলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খুরশীদ আলম সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারী, বিয়ের চাপ দেওয়ায় চুল কাটেন মুদি দোকানি মুগদা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর সন্তানকে মারধর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা, ২ আনসার প্রত্যাহার বিএসএমএমইউ’তে কাল চালু হচ্ছে ৩৭০ বেডের করোনা সেন্টার বাংলাদেশের অধীনে আসতে চায় মেঘালয়ের ৪ গ্রাম! টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে মাদক কারবারী নিহত, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে অনলাইন কোরবানী পশু হাট গাজীপুরে আরও ৪২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত করোনা থেকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত খুলনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবু হোসেন বাবু গ্রেপ্তার করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এম এ হক আশুলিয়ায় ভ্যানরিকশা চোর চক্রের ৩ সদস্যকে আটক পিরোজপুরে কর্মচারীকে ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেপ্তার

ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে পাহাড় ধসের আশঙ্কা

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ টানা ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীরা বলছে, কোথাও মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় পাহাড়ই তাদের আশ্রয়স্থল। তবে ঝুঁকিতে থাকা বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসন।
বর্ষা মৌসুমে টানা ভারি বৃষ্টিপাত। সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি। গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারে চলছে এই অবস্থা। সর্বোচ্চ ৩০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতও রেকর্ড করা হয়েছে। তাই পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, টানা কিছুদিন যদি বৃষ্টিপাত হয় তাহলে পাহাড়গুলো কিছুটা আলগা হয়ে পড়ে। শেষ কয়েকদিন যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতে আমাদের পাহাড় ধসের সম্ভাবনা আছে।

জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় রয়েছে ৬২টি। যেখানে বসবাস করছে লক্ষাধিকের বেশি মানুষ। তারা বলছে, স্থায়ী কোন বাসস্থান না থাকায় অভাব-অনটনের কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের পাহাড়েই বসবাস। পাহাড়ে বসবাসকারী বাসিন্দারা জানান, আমাদের অন্য কোথাও কোনো থাকার জায়গা নাই। এখানেই স্থায়ীভাবে থাকি। বৃষ্টি হলে আশে-পাশের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে থাকি। বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসের আশঙ্কার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো শনাক্ত করে বসবাসকারিদের সচেতন করছে ফায়ার সার্ভিস।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মোহাম্মদ ইদ্রিচ জানান, বৃষ্টি হলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মানুষকে সচেতন করতে প্রচারণা চালায়। আমাদের জেলা প্রশাসকের নির্দেশ মোতাবেক তাদেরকে আশে পাশের স্কুল-কলেজগুলোতে থাকার ব্যবস্থা করি। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা জানালেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারিদের সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, যারা এখান থেকে উঠতে চায় না, তাদেরকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বুঝিয়ে সরিয়ে নিচ্ছি। কক্সবাজার শহরসহ ৭টি উপজেলাতে গত ১০ বছরে পাহাড় ধসে মৃত্যু হয়েছে দুই শতাধিক মানুষের।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com