বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২০, ১০:২৪ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে করোনা শনাক্তের ১৩১ তম দিন আজ। মরনঘাতি এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার ৪৯৬ জন। একই সময়ে নতুন করে আরো ২ হাজার ৭৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি  শনাক্ত হলেন।
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদে ৪ জেলায় আসা-যাওয়া বন্ধ করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ ঈদ বোনাস সহ পরিশোধ করা হবে পোশাক শ্রমিকদের বেতনঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তরার ফ্ল্যাটে তৈরি হয় নামি-দামি বিদেশি ওষুধ! গাজীপুরের শাহীন ক্যাডেট একাডেমিকে জরিমানা সাহেদের বউ রিম্মির মিথ্যাচারের আড়ালে যে ভোগ-বিলাসের জীবন বাংলাদেশের প্রথম হেলিপোর্ট নির্মাণে কাজ চলছে দেশীয় অস্ত্রসহ গাজীপুরে দুই ছিনতাইকারী আটক ঢাকা উত্তরে হরিলুটের আয়োজন কঠোর লকডাউনের নির্দেশ ওয়ারিতে কাঠগড়ায় সাহেদ কেঁদে কেঁদে বললেন ‘আমি দেড় মাস ধরে করোনায় আক্রান্ত’ চালতা, তেঁতুল ও ছাতিয়ান গাছ লাগিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঈদে চলবে গণপরিবহন করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭৩৩ করোনায় আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলির বড় ভাই স্নেহাশিষ গাঙ্গুলি, কোয়ারেন্টাইনে সৌরভ ৫০ বছর থেকে তদূর্ধ্ব ব্যক্তিদের নমুনা বাড়িতে গিয়ে সংগ্রহের নির্দেশনা

পদ্মার চরাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর বিষাক্ত সাপ রাসেল ভাইপার

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী এলাকার চরাঞ্চলে বিষাক্ত রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে।  কৃষকরা জানিয়েছেন পাবনা সদর ও ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে পদ্মার চরের ফসলের মাঠ, ঝোপ-ঝাড় এমনকি বসতবাড়িতেও দেখা মিলছে বিশ্বের অন্যতম বিষাক্ত এই সাপ।

গত শনিবার (৩০ মে) রাতে ঈশ্বরদী উপজেলার সাড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া বড়পাড়া গ্রামের সেলিনা খাতুন নিজ ঘরেই সাপের দংশনের শিকার হন। পরিবারের লোকজন আগ্রাসী প্রকৃতির সাপটিকে মেরে রোগীর সঙ্গেই নিয়ে আসেন হাসপাতালে। চিকিৎসকরা প্রথমে সাপটিকে চিনতে না পারলেও পরিবেশবিদদের সহায়তায় নিশ্চিত হন সাপটি রাসেল ভাইপার। কামড়ালেও সেলিনার শরীরে বিষ প্রয়োগ করতে পারেনি বলেই ধারণা চিকিৎসকদের। সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন সেলিনা। এর আগে রাজশাহী সদরের পদ্মার চরেও রাসেল ভাইপারের দেখা মিলেছিল।

এ ঘটনার পরে পাবনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার সকালে পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কমরপুর বিস্তীর্ণ পদ্মার চরাঞ্চল পরিদর্শনে যান প্রশাসনের ৫ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল। সেখানে নদী পার হয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার ভেতরে গিয়ে সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।

স্থানীয় কৃষক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, চরে নতুন নতুন পোকা-মাকড়সহ বিভিন্ন জাতের সাপের দেখা মিলছে। গত বছর বিষধর পোকা দেখা দিয়েছিল এবার সাপের দেখা মিলছে। সম্প্রতি এই চরে কাজে এসে বেশ কয়েকজন সাপের কামড়ের শিকার হয়েছে বলে জানান তারা।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবু সালেহ মোহাম্মদ বলেন, গত একমাসের মধ্যে সদর ও সুজানগর উপজেলার পদ্মার চরগুলোতে একাধিকবার দেখা মিলেছে বিশ্বে বিষাক্ততায় পঞ্চম ও ক্ষীপ্রতার তালিকায় প্রথমে থাকা এই সাপটির। বর্ষা মৌসুমে আশপাশের লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই বিষাক্ত সাপ। তাই চরাঞ্চলগুলোতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এই সাপের বিষের প্রতিশেধক নেই বললেই চলে। তাই সাবধানে কাজ করতে হবে।

পাবনা জেলা প্রশাসনের পরিদর্শন দলের প্রধান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, পদ্মার এই বিশাল চরাঞ্চল ফসলসহ গো বিচরণের অন্যতম স্থান। শুষ্ক মৌসুমে এই চরাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ফসলের আবাদ হয়ে থাকে। গত বছর এই চরে বিষাক্ত বিছা পোকা দেখা দিয়েছিল। এবার বিষাক্ত সাপের কথা শোনা যাচ্ছে। কৃষকদের সাবধানে ও সতর্কতার সঙ্গে গামবুট পরে কাজ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে চর অঞ্চলের কৃষকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

পরিদর্শন টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সদর উপজেলার প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল করিম ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানসহ প্রমুখ। পরিদর্শন টিম সদস্য আব্দুল করিম জানান, তারা পরিদর্শনকালে কোনো সাপের সন্ধান পাননি। তবে একাধিক কৃষক জানিয়েছেন তারা বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সাপ দেখতে পান। এজন্য তারা চরে কাজকর্ম করতে ভয় পাচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানান, কৃষকদের মুখে শুনে একটি টিম চরে পাঠিয়েছিলাম। কিন্ত তারা সাপ দেখতে পায়নি। তারপরও সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
    123
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com