বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩৩ জন। এই সময়ে নতুন করে ২৬৫৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩,২৬৭ জন মারা গেছেন। আর মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৪ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
হাওড়ে নৌকা ভ্রমনে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৭ জনের সিনহা নিহতের দায় ব্যক্তির, কোনও বাহিনীর নয় : সেনা প্রধান স্মরণের আবরণে স্বাপ্নিক শেখ কামাল গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৩৩! নতুন শনাক্ত ২৬৫৪ জন ছবি ও ভিডিওতে বৈরুত বিস্ফোরণ সাভারে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীঃ বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে সরকার আশুলিয়ায় বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু আশুলিয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু, লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালালেন স্ত্রী ও স্বজনরা সিনহার বোনের মামলাঃ টেকনাফ থানার ওসিসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে লেবাননে বিস্ফোরণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ সদস্য আহত আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী কুকুরকে চাকরি দিলো হুন্ডাই মাঠে ইচ্ছাকৃতভাবে কাশি দিলেই সরাসরি লাল কার্ড সাভারের ভাকুর্তায় একাধিক বাড়িতে চুরি যেসব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাড়াবাড়িতে স্থাপিত সেগুলো নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তরের নির্দেশ

করোনা কি? মনে হয় জানেনা বাংলার মানুষ!

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পরিবারে সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম লঞ্চযোগে বাড়ি যেতে সদরঘাটে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

বেশিরভাগ লঞ্চেই যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা দেখা যায়নি। মাস্ক পরতে দেখা যায়নি অনেক যাত্রীকে। এছাড়া লঞ্চের ডেকে গাদাগাদি করে বসতে দেখা গেছে। যেন স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কাই করা হচ্ছে না লঞ্চ যাত্রায়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, করোনা সংক্রমণরোধে সদরঘাট টার্মিনালের প্রবেশপথে ছয়টি জীবাণুনাশক টানেল থাকলেও সচল আছে একটি। তিন–চারটি লঞ্চে যাত্রীদের হাত স্যানিটাইজের ব্যবস্থা দেখা গেলেও বেশিরভাগ লঞ্চেই তা দেখা যায়নি। ভোলা, হুলারহাট, হাতিয়া, পটুয়াখালী, বেতাগী, দেওয়ানবাড়ি ও চরফ্যাশনগামী লঞ্চের ডেকে যাত্রীরা গাদাগাদি করে শুয়ে-বসে আছেন। অধিকাংশ যাত্রীর মুখে ছিলা না মাস্ক।

ডেকে গাদাগাদি করে বসে থাকতে দেখা যায় বেতুয়া-চরফ্যাশনগামী ফারহান-৫ লঞ্চে। গাদাগাদি করে কেন বসেছেন জানতে চাইলে রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে আসা মুদি দোকানি জাফর করিম (৫১) বলেন, লঞ্চ ছাড়বে ৬টায়। কিন্তু লঞ্চ ছাড়ার চার ঘণ্টা আগে এসেও ডেকে জায়গা পাইনি। বাড়ি তো যেতে হবে। বাধ্য হয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে ডেকের একপাশে অবস্থান নিয়েছি।

ফারহান-৫ এর কর্মচারী জসিম মিয়া বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসতে বললেও তারা শোনেন না। ঘেঁষাঘেঁষি করে বসতে বার বার বারণ করা হলেও কোনো কথাই তোয়াক্কা করেন না যাত্রীরা। তারা না শুনলে আমাদের কী করার।

ডেকে গাদাগাদি করে বসার দৃশ্য দেখা যায় ভোলাগামী গ্লোরী লঞ্চেও। গাদাগাদি করে বসে রয়েছেন বাড্ডা থেকে আসা সুমা বেগম (৩০)। তার কোলে তিন বছরের কন্যাশিশু। এভাবে কেন গাদাগাদি করে বসছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোলায় যাব পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে। লঞ্চ ছাড়বে সাড়ে ৫টায়। স্বামীসহ দুপুর ১টায় লঞ্চঘাটে এসেছি। কোথাও জায়গা না পেয়ে এখানে বসেছি।

লঞ্চের প্রবেশপথে যাত্রী ডাকাডাকি করছিলেন কর্মচারী সোহেল। লঞ্চ ভর্তি হওয়ার পরও কেন ডাকাডাকি করছেন জানতে চাইলে বলেন, করোনায় অনেক দিন লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল। কিছুদিন হলো লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাহিদা বেশি; তাই ডাকাডাকি করছি। আমাদের কামাই তো দুই ঈদেই হয়। যাত্রী যত বেশি হবে টাকা তত বেশি পাব।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com