বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২০, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
দেশে করোনা শনাক্তের ১৩১ তম দিন আজ। মরনঘাতি এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার ৪৯৬ জন। একই সময়ে নতুন করে আরো ২ হাজার ৭৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি  শনাক্ত হলেন।
সর্বশেষ সংবাদ
উত্তরার ফ্ল্যাটে তৈরি হয় নামি-দামি বিদেশি ওষুধ! গাজীপুরের শাহীন ক্যাডেট একাডেমিকে জরিমানা সাহেদের বউ রিম্মির মিথ্যাচারের আড়ালে যে ভোগ-বিলাসের জীবন বাংলাদেশের প্রথম হেলিপোর্ট নির্মাণে কাজ চলছে দেশীয় অস্ত্রসহ গাজীপুরে দুই ছিনতাইকারী আটক ঢাকা উত্তরে হরিলুটের আয়োজন কঠোর লকডাউনের নির্দেশ ওয়ারিতে কাঠগড়ায় সাহেদ কেঁদে কেঁদে বললেন ‘আমি দেড় মাস ধরে করোনায় আক্রান্ত’ চালতা, তেঁতুল ও ছাতিয়ান গাছ লাগিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঈদে চলবে গণপরিবহন করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭৩৩ করোনায় আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলির বড় ভাই স্নেহাশিষ গাঙ্গুলি, কোয়ারেন্টাইনে সৌরভ ৫০ বছর থেকে তদূর্ধ্ব ব্যক্তিদের নমুনা বাড়িতে গিয়ে সংগ্রহের নির্দেশনা সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর দুর্নীতি মামলা সচলে দুদকের আবেদন আবার ব্রয়লার মুরগি দাম কমেছে, নেমেছে ১৩০ টাকায়

করোনাকালে খুব কষ্টে দিন পার করছে টাঙ্গাইলের যৌনকর্মীরা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারিতে দুই মাস ধরে লকডাউনে অবরুদ্ধ টাঙ্গাইলের যৌনপল্লি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় চরম সংকটে দিন পার করছেন সেখানে বসবাসকারীরা। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে জীবন বাঁচাতে সরকারের কাছে অর্থ সহায়তা চান তারা।

এক বাসিন্দা জানান, ‘বাচ্চার ৩ দিন ধরে জ্বর, ঘরে দুধ নেই খাবার নেই । বড় মানুষের খাবার নাই বলা যায় কিন্তু শিশুর খাবার নাই এটা তো বলা যায় না। খুব কষ্টে দিন যায় ভাই।’ মায়ের এই আর্তনাদই বলে দেয় কতটা অসহায় করোনাকালে তাদের জীবন ।  শুনশান চারিদিক। প্রায় সাড়ে পাঁচশকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের আবাসস্থল টাঙ্গাইলের এই যৌনপল্লী রূপ নিয়েছে ভুতুড়ে এক নগরীতে । তারা জনান,’ আমার জীবনটা খুব কষ্টে চলছে। সামনে যে কি হবে জানি না।মরা মতো বেঁচে আছি। ঈদ বলে কিছু মনে হয়নি।’ টাকা নেই, ঘরে নেই খাবার। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকায় বড় চ্যালেঞ্জ।  যৌনকর্মীরা জানান,’আমাদে এখন কান্না ছাড়া কিছু নাই। অনেক কষ্টে বেঁচে আছি । কাউকে বুঝতে দেই না।’

গত তিন মাসে জনপ্রতি মাত্র ৪০ কেজি চাল ও নগদ ৫শ টাকা ছাড়া আর কোন সহায়তা জোটেনি। নারী মুক্তি সংঘের  কার্যকরী সদস্য বেবী আক্তার বলেন, ‘লকডাউন তিন মাস ধরে। মেয়েরা বন্দি। পাঁচশ’ টাকা আর ৩০ কেজি চাল দিয়ে কি তিন মাস চলে।’

খাদ্য সহায়তাসহ তাদের নগদ সহায়তার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিজনকে ৫০০ টাকা করে দিয়েছি। আমাদের প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। এটা সকরারের বরাদ্দ ছিল।’

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
    123
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com