শনিবার, ০৪ Jul ২০২০, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

কোভিড-১৯ আপডেটঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, এ নিয়ে ভাইরাসটি কেড়ে নিয়েছে ১৯৬৮ জনের প্রাণ। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৩১১৪ জন। দেশে করোনা আক্রান্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৯১ জনমোট সুস্থ হয়েছেন ৬৮ হাজার ৪৮ জন।
সর্বশেষ সংবাদ
বিএসএমএমইউ’তে কাল চালু হচ্ছে ৩৭০ বেডের করোনা সেন্টার বাংলাদেশের অধীনে আসতে চায় মেঘালয়ের ৪ গ্রাম! টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে মাদক কারবারী নিহত, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে অনলাইন কোরবানী পশু হাট গাজীপুরে আরও ৪২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত করোনা থেকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত খুলনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবু হোসেন বাবু গ্রেপ্তার করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এম এ হক আশুলিয়ায় ভ্যানরিকশা চোর চক্রের ৩ সদস্যকে আটক পিরোজপুরে কর্মচারীকে ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেপ্তার করোনায় আক্রান্ত হয়ে সকালে ছেলের মৃত্যু, ছেলের মৃত্যু শোক সইতে না পেরে বিকালে মায়ের মৃত্যু করোনায় কর্ম হারানো মানুষের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন, নতুন পেশার সন্ধানে মানুষ আসামি ধরতে গেলে সহযোগীদের গুলিতে আট পুলিশ সদস্য নিহত দেশে করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত শনাক্ত ৩১১৪ জন ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে সাঙ্গাকারাকে জেরা, জেরা করা হবে জয়বর্ধনকেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন ২৪ ঘণ্টার বুলেটিনে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যায় গোঁজামিল!

আজ সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল

সম্পাদকীয়ঃ আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিনে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় কক্সবাজারের দ্বীপাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকা। সব কিছু তছনছ করে মহা ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সেই সময় এতবড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি উপকুলের মানুষ আর কখনো হয়নি। 

তাই আজও ২৯ এপ্রিল আসলে স্বজন হারা মানুষের কান্নায় ভারি হয় উপকূলের পরিবেশ। সেদিন জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে অকালে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতি উপকূলবাসীকে এখনো তাড়ায়। বেদনা অশ্রু ভারাক্রান্ত হন তারা।

ক্ষতিগ্রস্তদের মতে, সেদিন আবহাওয়া বিভাগ উপকূলীয় এলাকায় ৯নং সতর্ক সংকেত জারি করলেও অজ্ঞতার বশে লোকজন নিরাপদ স্থানে না যাওয়ায় মহা দুর্যোগের শিকার হন। রাত ১০টার পর ১০ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় সাগরের পানি মুহূর্তেই লোকালয়ে ঢুকে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলায় অনেক মা হারায় সন্তান, স্বামী হারায় স্ত্রী, ভাই হারায় বোনকে। অনেক পরিবার আছে যাদের গোটা পরিবারই পানির স্রোতে হারিয়ে গেছে।

২৯ এপ্রিলের সে ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনও কাঁদেন স্বজন হারানো উপকূলবাসী।

প্রশাসনের হিসাব মতে, ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন নিহত, ১২ হাজার ১২৫ জন নিখোঁজ, ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন আহত হন। মাছ ধরার ট্রলার, নৌকা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছ-পালা, চিংড়ি ঘের, স্কুল-মাদরাসা, পানের বরজ, লাখ লাখ গবাদি পশু, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙ্গে গিয়ে ক্ষতি সাধিত হয় কয়েক হাজার কোটি টাকার। তাই ২৯ বছর পরও অতীতের স্মৃতি মুছতে পারেনি উপকূলবাসী।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ১৫৬১ সালের জলোচ্ছ্বাসেও উপকূলের বিপুল মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ১৭৬২ সালে, ১৭৯৫ সালের ৩ জুন, ১৮৯৭ সালের ২৪ অক্টোবরে, ১৯০৫ সালের ২৯ এপ্রিলে, ১৯৬৩ সালের ২৭ মে, ১৯৭২ সালের অক্টোবরে, ১৯৯৭ সালের নভেম্বরে, ১৯৬৫ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া-দ্বীপসহ উপকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া খুদিয়ার টেক নামক একটি এলাকা পুরো বিলীন হয়ে গেছে।

১৯৯১ সালের এ দিনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর উপ-দ্বীপ ধলঘাটা-মাতারবাড়ি, পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়ন, কুতুবদিয়ার প্রায় পুরো উপজেলা এবং সদরের বৃহত্তর গোমাতলী এলাকায়। ওখানে অধিকাংশ বাড়ি থেকে পরিবারের ৫-৬ জন লোক মারা যান। অনেক যৌথ পরিবারে ৪০ জন মারা যায়। তাই এ দিনটিতে এখনও স্বজন হারানোর বেদনায় বিলাপ করেন অনেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       

কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত(২০১৮-২০২০) ।। শেষ খবর

Design & Developed BY Hostitbd.Com